জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে নতুন করে বেশ কিছু কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার চিন্তা করছে সরকার। এর অংশ হিসেবে সাপ্তাহিক ছুটি বাড়ানো, আংশিক অনলাইন ক্লাস চালু এবং সরকারি-বেসরকারি দপ্তরে হোম অফিস পুনরায় চালুর মতো উদ্যোগ বিবেচনায় রয়েছে। ডেইলি স্টারের এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট ও আমদানি ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় সরকার ‘অস্টেরিটি মেজার’ বা সাশ্রয়মূলক পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে। এ লক্ষ্যে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে প্রস্তাব তৈরির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
প্রস্তাবিত পদক্ষেপগুলোর মধ্যে রয়েছে- সাপ্তাহিক ছুটির সঙ্গে আরও একটি দিন যুক্ত করা কিংবা সপ্তাহে অন্তত দুই দিন বাসা থেকে কাজের সুযোগ (ওয়ার্ক ফ্রম হোম) চালু করা। পাশাপাশি অফিস সময় কমানো বা আগেভাগে শুরু করার বিষয়টিও আলোচনায় রয়েছে।
শিক্ষা খাতেও আসতে পারে পরিবর্তন। জ্বালানি সাশ্রয়ের লক্ষ্যে সপ্তাহের অন্তত অর্ধেক ক্লাস অনলাইনে নেওয়ার পরিকল্পনা বিবেচনায় রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে।
তবে এসব প্রস্তাব এখনো চূড়ান্ত হয়নি। বিষয়গুলো নিয়ে শিগগিরই মন্ত্রিসভা বৈঠকে আলোচনা হবে এবং সেখানেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।
জ্বালানি আমদানি ব্যয় বৃদ্ধি, বৈদেশিক মুদ্রার ওপর চাপ এবং সরবরাহ সংকটের কারণে সরকার এ ধরনের পদক্ষেপ বিবেচনায় নিচ্ছে। ইতোমধ্যে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় নিজ নিজ খাতে ব্যয় কমানোর পরিকল্পনাও শুরু করেছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করা গেলে এসব উদ্যোগ জ্বালানি সাশ্রয়ে সহায়ক হবে। তবে এর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব অর্থনীতি ও শিক্ষা খাতে কীভাবে পড়ে, সেটিও গুরুত্ব দিয়ে পর্যবেক্ষণ করা প্রয়োজন।