মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা তৈরি হওয়ায় দেশে দ্রব্যমূল্য বাড়ার আশঙ্কার কথা জানিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
তিনি বলেন, বর্তমানে দেশে বড় ধরনের জ্বালানি সংকট না থাকলেও আন্তর্জাতিক বাজারে তেল ও গ্যাসের উচ্চমূল্য দীর্ঘদিন ধরে বহন করা সম্ভব হবে না। এতে সরকারের ব্যয় বাড়ছে এবং অর্থনীতির ওপর চাপ তৈরি হচ্ছে।
অর্থমন্ত্রী জানান, জ্বালানি আমদানিতে বাড়তি খরচের কারণে সরকারি তহবিল চাপে পড়ছে। এ পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে উন্নয়ন কার্যক্রম ও সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিতে প্রভাব পড়তে পারে। ফলে একপর্যায়ে জ্বালানির দাম সমন্বয়ের সিদ্ধান্ত নিতে হতে পারে।
তিনি আরও বলেন, বৈশ্বিক এই সংকট মোকাবিলায় সরকার ইতোমধ্যে জ্বালানি সাশ্রয় কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। সরকারি পর্যায় থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষকেও বিদ্যুৎ ও জ্বালানি ব্যবহারে সচেতন হতে আহ্বান জানানো হয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, জ্বালানির দাম বাড়লে পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধি পাবে, যার সরাসরি প্রভাব পড়বে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারে। ফলে সামগ্রিকভাবে মুদ্রাস্ফীতি বাড়ার ঝুঁকি রয়েছে।
অর্থমন্ত্রী আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, সরকার জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কাজ করছে এবং পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত শিগগিরই নেওয়া হবে।