সিলেটকে বলা হয়ে থাকে ‘দ্বিতীয় লন্ডন’। প্রবাসী অধ্যুষিত এই শহরে গড়ে উঠেছে আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষা ব্যবস্থার একটি শক্ত ভিত্তি। বিশেষ করে ব্রিটিশ কারিকুলামভিত্তিক বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সিলেটে শিক্ষা খাতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। এসব প্রতিষ্ঠান থেকে প্রতিবছর বহু শিক্ষার্থী আন্তর্জাতিক পরীক্ষায় অংশ নেয় এবং কৃতিত্বের স্বাক্ষর রাখে।
এই ধারাবাহিকতায় সিলেটের শিক্ষার্থীরা নিয়মিতভাবে ইন্টারন্যাশনাল জেনারেল সার্টিফিকেট অব সেকেন্ডারি এডুকেশন এবং ইন্টারন্যাশনাল অ্যাডভান্সড লেভেল পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে থাকে। পাশাপাশি অনেক শিক্ষার্থী প্রাইভেট পরীক্ষার্থী হিসেবেও এসব পরীক্ষায় অংশ নেয়। তবে এ ধরনের শিক্ষার্থীদের একটি বড় অংশকে পড়াশোনার জন্য নির্ভর করতে হয় বিভিন্ন শিক্ষকের ব্যক্তিগত কোচিংয়ের ওপর।
এতে করে শিক্ষার্থীদের একাধিক সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়। বিভিন্ন শিক্ষকের বাসায় যাতায়াত করতে গিয়ে নষ্ট হয় মূল্যবান সময়, বেড়ে যায় যাতায়াত খরচ, পাশাপাশি তৈরি হয় শিডিউল সংক্রান্ত জটিলতা। স্কুলপড়ুয়া শিক্ষার্থীরাও স্কুলের পড়াশোনার পাশাপাশি আলাদা আলাদা শিক্ষকের কাছে প্রাইভেট পড়তে গিয়ে একই সমস্যার সম্মুখীন হয়।
এই বাস্তবতা বিবেচনায় রেখে সিলেটে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ হিসেবে যাত্রা শুরু করেছে ‘পাই টিউটোরিয়াল’। প্রতিষ্ঠানটি শিক্ষার্থীদের জন্য এক ছাদের নিচে মানসম্মত ও সুসংগঠিত শিক্ষার পরিবেশ তৈরি করেছে।
প্রতিষ্ঠানটিতে বিভিন্ন বিষয়ের দক্ষ ও অভিজ্ঞ শিক্ষকেরা পাঠদান করছেন। ফলে শিক্ষার্থীদের আর আলাদা আলাদা স্থানে ছুটে বেড়াতে হচ্ছে না। এতে সময় ও অর্থ- দুই-ই সাশ্রয় হচ্ছে। পাশাপাশি অভিভাবকরাও অতিরিক্ত খরচ ও অনিশ্চয়তা থেকে স্বস্তি পাচ্ছেন।
‘পাই টিউটোরিয়াল’-এ ক্যামব্রিজ ও এডেক্সেল- উভয় সিলেবাসেই নিয়মিত ক্লাস নেওয়া হয়। এছাড়া আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত হিসাববিজ্ঞান কোর্স অ্যাসোসিয়েশন অব চার্টার্ড সার্টিফাইড অ্যাকাউন্ট্যান্টস (এসিসিএ)-এর কোচিংয়ের ব্যবস্থাও রয়েছে এখানে।
শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের জন্য সুবিধাজনক পরিবেশ, সময় সাশ্রয়ী ব্যবস্থাপনা এবং মানসম্মত পাঠদানের সমন্বয়ে ‘পাই টিউটোরিয়াল’ ইতোমধ্যেই সিলেটের শিক্ষাঙ্গনে একটি সম্ভাবনাময় নাম হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে। যার ঠিকানা: ৪১ পায়রা, ৩য় তলা, দর্শন দেউড়ী, সিলেট (আর্কাডিয়ার বিপরীতে)।